Validity Issues of External Research

Validity Issues of External Research

 জরিপ গবেষণার বৈধতার ক্ষেত্রে কিছু উপাদান প্রভাব বিস্তার করে। গবেষণার এই বৈধতাকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়-

1.   Internal validity

2.   External validity

1. Internal validity:

অভ্যন্তরীণ বৈধতা বলতে বোঝায় জরিপকৃত গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলের কোন পরিবর্তন না করে যে উপসংহার লেখা হয়।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে গবেষণায় যে তথ্য পাওয়া যাবে উপসংহারে সে তথ্যই তুলে ধরা হয় কোন প্রকার অবাঞ্ছিত বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হয় না।

] Sources of internal invalidity:

অভ্যন্তরীণ অবৈধতা বলতে বোঝায় জরিপকৃত ফলাফলের ভিত্তিতে যে উপসংহার টানা হয় তা মূলত জরিপ গবেষণায় কি ঘটেছে তা সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না। এছাড়া স্বাধীন চলক ব্যতীত অন্যান্য উপাদান অধীন চলককে প্রভাবিত করলে তখনও অভ্যন্তরীণ অবৈধতার সৃষ্টি হয়।

 

যে সকল বিষয়গুলো জরিপ গবেষণার বাইরে থেকে অবৈধতা সৃষ্টি করে সেগুলো নিচে আলোচনা করা হল-

 

a. History:

জরীপ চলাকালীন সময়ে ঐতিহাসিক কোন ঘটনা জরিপ ফলাফলের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

 

যেমন: কোন ক্রিকেটারের জনপ্রিয়তা জরিপ চলাকালীন সময়ে যদি ডোপ টেস্টে ক্রিকেটারের শরীরে ড্রাগ ধরা পড়ে তবে এই ঘটনা তার জনপ্রিয়তার উপর প্রভাব বিস্তার করবে।

 

b. Maturation:

মানুষ ক্রমাগতভাবে বড় হচ্ছে এবং পরিবর্তীত হচ্ছে এবং এই পরিবর্তন জরীপের ফলাফলের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদী জরিপের ক্ষেত্রে উত্তরদাতার বয়স এবং বুদ্ধি বৃদ্ধি পেতে থাকে যা জরিপকে প্রভাবিত করে। স্বল্পমেয়াদী জরিপের ক্ষেত্রে উত্তরদাতা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, ঘুম ঘুম ভাব আসতে পারে, বিরক্ত হতে পারে অথবা ক্ষুধার্ত হয়ে পড়তে পারে যা জরিপের ক্ষেত্রে তাদের আচরণের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

 

c. Testing:

স্বাভাবিক ভাবেই কোন পরীক্ষা বা পুন:পরীক্ষা দাতাদের আচরণের পরিবর্তন আনে যা জরিপের ফলাফলের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

 

যেমন: আফ্রিকান-আমেরিকানদের প্রতি কুসংস্কার এর মাত্রা পরিমাপ করার জন্য দুটি গ্রুপকে প্রশ্নপত্র দেওয়া হল। এর পর ১নং গ্রুপকে আফ্রিকান-আমেরিকানদের প্রতি কুসংস্কার বিরোধী একটি ফিল্ম দেখানো হল। আবার ২নং গ্রুপকে কোন ফিল্ম না দেখিয়ে পুনরায় একই প্রশ্নপত্র প্রদানের মাধ্যমে যদি জরিপ করা হয় তবে দেখা যাবে যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার কারণে তাদের পূর্বের উত্তর থেকে বর্তমান উত্তরে ভিন্নতা এসেছে।

 

d. Instrumentation:

স্বাধীন চলক পরিমাপ করার জন্য পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী পরীক্ষার ক্ষেত্রে যদি পৃথক পরিমাপক ব্যবহার করা হয় তবে এই দুই সময়ের মধ্যে তুলনা করা সম্ভব হয় না।

যেমন: আফ্রিকান-আমেরিকানদের প্রতি কুসংস্কারের জরিপের জন্য উত্তরদাতাদের পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী পরীক্ষার ক্ষেত্রে পৃথক প্রশ্নপত্র দিলে এদের মধ্যে তুলনা করা সম্ভব নাও হতে পারে।

 


 

e. Statistical regression:

অনেক সময় এমন পরীক্ষণ পাত্রের উপর পরীক্ষণ কার্য চালানো হয় যাদের নির্ভরশীল চলকের মান একেবারে চরম পর্যায় থেকে শুরু হয়।

 

যেমন-যারা অংকে খুবই দূর্বল তাদের যদি নতুন কোন পদ্ধতিতে অংক শেখানো হয় তাহলে তারা তাদের বর্তমান অবস্থা থেকে উন্নতি করতে পারে কিন্তু তাদের বর্তমান অবস্থা থেকে নিচে নামতে পারে না।

 

আবার বলা যায়,যে ব্যক্তি খুবই লম্বা তার সন্তান তার উচ্চতার চেয়ে ছোট হতে পারে কিন্তু যে ব্যক্তি খুবই খাটো বা বামন তার সন্তান তার উচ্চতার চেয়ে খাটো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

 

f. Selection basis:

পরীক্ষণের সময় অনেক ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। যেমন-পরীক্ষণ দল ও নিয়ন্ত্রণ দল নির্বাচনের সময় তাদেরকে এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যাতে করে উভয় দলের বৈশিষ্ট্য সমান থাকে। অন্যথায় তাদের মাঝে যে তুলনা করা হবে তা হবে অর্থহীন।

 

g. Diffusion or imitation of treatments:

যখন পরীক্ষামূলক (Experimental group) এবং নিয়ন্ত্রণমূলক (Control group) দল একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে তখন পরীক্ষামূলক ও নিয়ন্ত্রণমূলক দলের মধ্যে গবেষণা উদ্দীপক নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

 

যেমন: পরীক্ষামূলক দলকে আফ্রিকান-আমেরিকানদের ইতিহাস সম্পর্কীত ছবি দেখানোর পর প্রশ্নপত্র পূরণে সময় দিলে পরীক্ষামূলক দল নিয়ন্ত্রণ দলের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে গবেষণা উদ্দীপক সম্পর্কে বলতে পারে এতে নিয়ন্ত্রণ দল আর নিয়ন্ত্রণ দল থাকে না। ফলে গবেষণার ফলাফল প্রভাবিত হয়।

 

h. Compensation:

পরীক্ষামূলক ও নিয়ন্ত্রণমূলক দলকে যখন সমান সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে তখন জরিপ ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে।

যেমন: হাসপাতালে নিয়ন্ত্রণ দলের প্রতি হাসপাতালের কর্মীদের প্রতি কষ্ট লাগতে পারে। এতে তারা নিয়ন্ত্রণ দলকে আলাদাভাবে সেবা প্রদান করতে পারে ফলে নিয়ন্ত্রণমূলক দল দীর্ঘমেয়াদে আর নিয়ন্ত্রণমূলক দল থাকে না।

 

i. Compensatory rivalry:

যখন সকল নমুনাগুলো গবেষণা উদ্দীপক থেকে বঞ্চিত হয় তারা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ করতে পারে। এতে জরিপের ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে।

 

যেমন: পরীক্ষামূলক দলকে যদি গণিত শেখানো হয়, তবে তা দেখে নিয়ন্ত্রণ দল নিজেদের উদ্যোগে গণিত শিখতে পারে।

 

j. Demoralization:

নিয়ন্ত্রণমূলক দল নিজেদেরকে বঞ্চিত মনে করার কারণে জরিপ থেকে চলে যেতে পারে।

 

যেমন: পরীক্ষামূলক দলকে আফ্রিকান-আমেরিকানদের ইতিহাস সম্পর্কীত ছবি দেখানো হলো, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ দল  তা বঞ্চিত হওয়ার কারণে মনোবল হারিয়ে ফেলতে পারে। ফলে তারা গবেষণা বন্ধ করে দিতে পারে বা রাগান্বিত হতে পারে।

 

Source of External Invalidity

 

বাহ্যিক যথার্থতা বলতে কোন গবেষণার ফলাফলের সাধারণীকরণ উপযোগীতা বুঝায়। সুতরাং আমরা বলতে পারি External Invalidity যখন গবেষণার ফলাফল সাধারণীকরণ করা যায় না। অর্থাৎ প্রকৃত ঘটনা কি সেগুলোর সাথে সাধারণীকরণ করা না গেলেই তাকে External Invalidity বলা হয়।

 

পরীক্ষণের ক্ষেত্রে যে সকল জটিলতার সম্মুখীন হয় শুধুমাত্র সেক্ষেত্রে External Invalidity-এর জন্য দায়ী করা হয়। এক্ষেত্রে একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় যে, বাহ্যিক যথার্থতা যে সকল প্রশ্নের উত্তর পেতে চায় সেগুলো হলোঃ গবেষণাটি বিশেষ সমগ্রক গবেষণা ব্যবস্থা সমূহ ও নির্ভরশীল চলকসমুহ কতটা প্রতিনিধিত্ব করে। তাই এই সকল প্রশ্নের উত্তর যখন পাওয়া যাবে না বা নেতিবাচক উত্তর পাওয়া যাবে তখনই External Invalidity সঠিক হবে।

 

উদাহরণঃ আফ্রিকান-আমেরিকানদের ইতিহাস ও তাদের প্রতি কুসংস্কারকে উদাহরণ হিসেবে নিয়ে আমরা দেখতে পাই যে,প্রিটেস্ট এর চেয়ে পোস্ট টেস্ট গ্রহণ করার পর কুসংস্কারের মাত্রা কম কিংবা, নিয়ন্ত্রণ দলের চেয়ে পরীক্ষণ দলের পোস্ট টেস্ট গ্রহণের পর তাদের কুসংস্কারের মাত্রা কম। সুতরাং আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে ফিল্মই পরীক্ষণ দলের কুসংস্কারের মাত্রা কমিয়েছে।

 

কিন্তু এই ফিল্ম যদি নাট্যশালা কিংবা টেলিভিশনে দেখানো হয় তাহলে এর প্রভাব কি একই থাকবে? আমরা নিশ্চিত ভাবে তা বলতে পারব না। কারণ ফিল্ম তখনই কার্যকরী হবে মানুষ যখন কুসংস্কারকে একটি Sensitive ইস্যু হিসেবে গ্রহণ করবে। যেহেতু তাদের কাছ থেকে পূর্ব টেস্ট গ্রহণ করা হয়েছে। আর এটি হলো টেস্ট এবং উত্তেজক (Stimulus) এর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক।

 

 

উপরের চিত্রে গ্রুপ-১ ও ২ হলো পরীক্ষণ দল এবং গ্রুপ-৩ ও ৪ হলো নিয়ন্ত্রিত দল। গ্রুপ-৩ কে প্রিটেস্ট ছাড়াই উদ্দীপক প্রদান করা হয়েছে এবং গ্রুপ-৪ কে শুধুমাত্র পোস্ট টেস্ট।

 

এক্ষেত্রে আমরা ৪টি ফলাফল পাই-

১।    প্রথম গ্রুপে পোস্ট টেস্ট কুসংস্কারটি প্রিটেস্ট কুসংস্কারের চেয়ে কম হবে।

২।    ২য় গ্রুপে প্রিটেস্ট এবং পোস্ট টেস্ট এ কুসংস্কারের পরিমাণ সমান হবে।

৩।   গ্রুপ-২ পোস্ট টেস্ট এর চেয়ে গ্রুপ-১ পোস্ট টেস্ট এর কম পরিমাণ কুসংস্কার থাকবে।

৪।   গ্রুপ-৩ পোস্ট গ্রুপ-৪ পোস্ট টেস্ট এর চেয়ে কম কুসংস্কার দেখাবে।

 

এখানে ৩ ও ৪ এর টেস্ট এবং উদ্দীপকের মধ্যে একটি আন্তঃসম্পর্ক আছে। আর এই তুলনা তখনই সম্ভব যখন বিভিন্ন দলের সদস্যদের Randomly বাছাই করা হবে এবং প্রাথমিকভাবে তাদের কুসংস্কারের পরিমাণ একই থাকবে। যদিও তাদের কুসংস্কারের পরীক্ষণ শুধুমাত্র গ্রুপ-১ ও ২ এ পরিমাপ।

Leave a comment

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: