Steps of Research Design

Interest (আগ্রহ):

গবেষণা নকশা প্রক্রিয়াতে ধারাবাহিক ধাপ বা পদ্ধতি বিদ্যমান। সাধারণত কোন গবেষণা শুরু হয় কোন একটি অজানা বিষয় জানার আগ্রহ থেকে। তাই আগ্রহ ব্যাখ্যামূলক বা বর্ণনামূলক অথবা উভয়ই হতে পারে। বর্ণনামূলক আগ্রহ হচ্ছে কোন একটি অবস্থার বর্ণনা করা।

উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে শতকরা কি পরিমাণ মহিলা পুরুষের মত ধূমপান করতে আগ্রহী। অথবা কি পরিমাণ ছাত্ররা নারীদের গর্ভপাত অধিকারকে সমর্থন করে। এগুলো জানতে চাওয়ার ইচ্ছেটাই হলো আগ্রহ।

 অন্যদিকে,ব্যাখ্যামূলক আগ্রহ হলো কোন অবস্থানের কারণ খোজা বা ব্যাখ্যা করা।

 উদাহরণ: মহিলারা কেন পুরুষের মত ধূমপান করতে আগ্রহী?

 সর্বপ্রথম আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য সম্ভাব্য কার্যাবলী পছন্দ করতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি শুরু হয় সেই বিষয়ে গবেষণা অথবা অন্য কোন উৎস হতে প্রাপ্ত তথ্য থেকে। আবার ঐ বিষয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তির সাথে কথা বলেও তথ্য জানা যেতে পারে।

যেমন-নারীদের মধ্যে কারা ধূমপান করতে পছন্দ করে বা করেনা তা তাদের সাথে কথা বলে জানা যেতে পারে। অথবা সেই বিষয় সম্পর্কিত কোন সভা, সেমিনার ইত্যাদিতে উপস্থিত থেকে বা অংশগ্রহণ করেও জানা যেতে পারে।

 

এইভাবে একটি প্রাথমিক আগ্রহ থেকে ধারণার সৃষ্টি হয়।

 

Idea (ধারণা):

একটি ধারণা একটি তত্ত্বের স্বরূপ হতে পারে এবং সেই সাথে তত্ত্বও নতুন ধারণার সৃষ্টি করতে পারে যা কিনা নতুন আগ্রহের জন্ম দিতে পারে।

 

কোন তথ্য শুরু করার আগে বা গবেষণা শুরু করার আগে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঐ বিষয়ের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা। এর অর্থ হলো

Æ    কি ধরণের গবেষণা আমরা করতে যাচ্ছি?

Æ    আমি কি থিসিস এর জন্য গবেষণার পরিকল্পনা করেছি?

Æ    আমার গবেষণার উদ্দেশ্য কি? কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করতে যাচ্ছি?

Æ    আমি কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাগাজিনে আর্টিকেল লিখব?

 

            এছাড়াও আমি যে বিষয়ে গবেষণা করতে যাচ্ছি সেই সম্পর্কে পূর্বে কোন গবেষণা হয়েছে কিনা, যদি হয়ে থাকে তাহলে পূর্ববর্তী গবেষক কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সেই বিষয় জানতে হবে তাহলে সেই সিদ্ধান্ত আমার গবেষণায় সহায়ক হতে পারে।

 

            সুতরাং গবেষণার উদ্দেশ্য কত সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা এবং আরো বেশি পরিষ্কার করা হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

Conceptualization:

গবেষণার উদ্দেশ্য ও ফলাফল নির্ধারণের পরবর্তী ধাপ হলো গবেষণার বিষয়ের অর্থ পরিষ্কার করা। এখানে আমাদের অবশ্যই গবেষণার Concept বা ধারণা সম্পর্কে পরিষ্কার বোধগম্যতা থাকতে হবে।

 

উদাহরণ:

আমরা যদি শিশু গর্ভপাত অধিকার নিয়ে কাজ করতে চাই তাহলে আমাদের অবশ্যই এই বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতে হবে। যদি কেউ গর্ভপাত সমর্থন করে তাহলে কেন সে সমর্থন করে তার পেছনে যু্ক্তি প্রদর্শন করতে হবে, আবার যদি কেউ সমর্থন না করে তার সম্পর্কেও পর্যাপ্ত যুক্তি থাকতে হবে।

 

যেমন-যদি কোন নারী বিপদ বা ঝুঁকিতে পড়ে (হতে পারে ধর্ষণের কারণে) অথবা কোন ব্যক্তির সেটি ব্যক্তিগত পছন্দ হতে পারে। সুতরাং গবেষণার সকল বিষয় এবং চলক সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 


Choice of research method:

গবেষণার জন্য গবেষণা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়।অর্থাৎ কোন পদ্ধতিতে গবেষণা করলে নির্দিষ্ট ধারণা ও চলক নিয়ে সঠিকভাবে কাজ করা যাবে তা এখানে পছন্দ করতে হয়। প্রতিটি গবেষণার জন্য একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা ঠিক নয়। গবেষণার ধারণার উপর নির্ভর করে গবেষণা পদ্ধতি নির্বাচন করা উচিৎ।

 

যেমন-গর্ভপাত অধিকার নিয়ে যদি কাজ করা হয় তাহলে জরিপ পদ্ধতি ব্যবহার করা উত্তম। গবেষণার ক্ষেত্রে কয়েকটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমন-জরিপ পদ্ধতি,আধেয় বিশ্লেষণ পদ্ধতি, প্রামাণিক পদ্ধতি ইত্যাদি। একজন গবেষক কোন গবেষণায় একাধিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে।

 

Operationalization:

এটি হলো কোন গবেষণায় নির্দিষ্ট ধারণা ও গবেষণা পদ্ধতি নির্ধারণের পরবর্তী ধাপ। এটিকে পরিমাপন পদ্ধতিও বলা হয়ে থাকে। পরিমাপ করার ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। সরাসরি পর্যবেক্ষণ,বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ ইত্যাদি কৌশল ব্যবহার করা হয়।

 

যদি আমরা গর্ভপাত সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি জানার জন্য জরিপ পদ্ধতি ব্যবহার করি তাহলে এই ধাপে এসে সেই অনুযায়ী প্রশ্নপত্র নির্ধারণ করা হবে।

 

Population and sampling:

কোন গবেষণায় জনসংখ্যা হলো একদল লোক যাদের উপর গবেষণা কার্য পরিচালিত হবে। সম্পূর্ণ জনসংখ্যা থেকে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে স্বল্প সংখ্যক জনসংখ্যার  মধ্য থেকে তথ্য সংগ্রহই হলো নমুনায়ন।

 

Observation:

উপরে আলোচিত ধাপগুলো সম্পন্ন করার পর অভিজ্ঞতালব্ধ (Empirical) তথ্য সংগ্রহের জন্য পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

 

যেমন:গর্ভপাত এর জরিপ কার্য করার জন্য প্রশ্নপত্র প্রিন্ট করতে হবে এবং তা নির্ধারিত জনগণের নিকট বণ্টন করতে হবে। এর বিকল্প পদ্ধতি হসেবে একটি টিম গঠন করে জরিপ পরিচালনা করা যেতে পারে।

 

Data processing:

উপাত্ত সংগ্রহের পর তা প্রক্রিয়াজাত করা হয়। সাধারণত উপাত্ত সংগ্রহের সময় সেগুলো অবিন্যস্ত থাকে। এই সকল অবিন্যস্ত উপাত্তগুলোকে বক্র আকারে লিখে সেগুলো পছন্দমত কিছু করা। উপাত্ত প্রক্রিয়াজাতকরণ জরিপ পদ্ধতিতে সাধারণত উপাত্ত শ্রেণীবিন্যাস করণ,উত্তর লেখা এবং কম্পিউটারে তথ্য স্থানান্তরের সাথে জড়িত।

 

Analysis:

গবেষণার উপাত্ত সংগ্রহের পর সেগুলো উদ্দেশ্য অনুসারে ব্যাখ্যা করতে হবে এবং উপসংহার টানতে হবে। গবেষণার সমস্যা সমাধানের জন্য সুপারিশ প্রদান করতে হবে।

 

Application:

যেকোন গবেষণা নকশা প্রক্রিয়ার সর্বশেষ ধাপ হলো Application. গবেষণার সুপারিশগুলো এখানে বাস্তবায়ন বা প্রয়োগ করা হয়।

 

Leave a comment

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: