Qualitative Field Research

Qualitative Field Research

 ÿ Introduction:

সামাজিক গবেষণা করা হয় আমাদের জীবন ও পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ঘটে যাওয়া নানা বিষয় নিয়ে। সামাজিক কোন সমস্যাকে পর্যবেক্ষণ করার মাধ্যমে তার উপর গুণাত্মক গবেষণা করা যায়।

আর এ থেকে আমরা বলতে পারি যে,যখন কোন সামাজিক আচরণ পর্যবেক্ষণ করি বা অংশগ্রহণ করি এবং তা বোঝার চেষ্টা করি তখনই আমরা মাঠ গবেষণা করে থাকি। যেমনঃ কোন একটি কলেজের শ্রেণীকক্ষে, ডাক্তারের বিশ্রামাগারে অথবা কোন বিমানের মধ্যে আমরা এই গবেষনা চালাতে পারি।

সামাজিক গবেষকরা ছাড়াও নৃবিজ্ঞানীরা এই পদ্ধতিকে বিজ্ঞান সম্মত করার জন্য বিশেষভাবে জড়িত। এ ছাড়াও কিছু লোক যাদের নিয়োগ দেয়া হয় এই পদ্ধতিতে যাদেরকে সামাজিক গবেষক হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। যেমন-সাংবাদিক বা কল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত কর্মীরা।

ÿ Topic appropriate to qualitative field research:

যে সকল ঘটনা প্রাকৃতিক, সাধারণত তার উপরই মাঠ গবেষণা বেশি উপযুক্ত। কোন একজন গবেষক সামাজিক কোন একটি ঘটনা হতে প্রাকৃতিকভাবে ধারণা লাভ করতে পারে। অন্যান্য গবেষণার ক্ষেত্রে গবেষক কিছু বিষয় এড়িয়ে যায় কিন্তু এই পদ্ধতিতে একজন গবেষক ঘটনাটির সার্বিক দিক ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

 

মাঠ গবেষণা সেই সকল দৃষ্টিভঙ্গি এবং আচরণের ক্ষেত্রে উপযুক্ত যে সকল বিষয় শুধুমাত্র প্রাকৃতিকভাবে থাকলেই ভালোভাবে বোঝা যায়। অন্যদিকে যে সকল বিষয়গুলো কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা যায় এবং বোঝা যায় সেগুলোর ক্ষেত্রে পরীক্ষণ এবং জরিপ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

যেমন- কোন বহুমাত্রিক ধর্মীয় আলোচনায় এই পদ্ধতি গবেষণার ক্ষেত্রে বেশ উপযুক্ত। আমরা দেখতে চাই যে এই আলোচনায় নারীরা বা পুরুষরা বেশি অংশগ্রহণে আগ্রহী। তাহলে মাঠ গবেষণায় আমরা তা সহজেই বের করতে পারব।

 

সর্বপোরী দীর্ঘদিন বা সময় ধরে আমাদের জীবনে যা ঘটে যাচ্ছে সেই বিষয়গুলো মাঠ গবেষণায় বেশি উপযুক্ত। কারণ কৃত্রিমভাবে তৈরীকৃত বিষয়গুলোর চেয়ে প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যাওয়া এই সকল ঘটনাগুলো থেকেই একজন গবেষক ভালো ধারণা পায়।

 

এছাড়াও মাঠ গবেষণা পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়, ক্যাম্পাস বিক্ষোভ, শ্রমিক আন্দোলন, গণ আন্দোলন অথবা এমন কিছু বিষয় যেগুলো সীমিত এলাকা ও সময়ের মধ্যে ঘটে থাকে।

 

ÿ Some consideration in qualitative field research:

এমন কতগুলো মৌলিক বিষয় আছে যেগুলো প্রতিটি গবেষণা পদ্ধতির ক্ষেত্রেই খেয়াল রাখতে হয়, আর গুণাত্মক মাঠ গবেষণা পদ্ধতিও এর বাহিরে নয়। যখন কোন গবেষক মাঠ গবেষণা পদ্ধতি ব্যবহার করে তখন তাকে একজন পর্যবেক্ষক হিসেবে এবং যাদেরকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে তাদের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে সিদ্ধান্তের সম্মুখীন হতে হয়। এখন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাথে জড়িত কিছু বিষয় পরীক্ষা করা যাক-

 

a) The various role of the observer:

মাঠ গবেষণা কয়েকভাবে সম্পাদন করা যেতে পারে। একজন গবেষক সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, এ ক্ষেত্রে যাদেরকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে তারা জানতে বা বুঝতে পারবে না যে গবেষক তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করছেন। আবার গবেষক তাদের কাজে বা তাদের সাথে অংশগ্রহণের মাধ্যমেও পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

 

প্রথম ক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন আসতে পারে আর তা হলো গবেষক তাদের পরিচয় না দিয়ে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের সাথে প্রতারণা করছেন। তবে এখানে একটি যুক্তি আছে যে গবেষক বা পর্যবেক্ষক যদিও তাদের প্রতারণা করে থাকেন তাহলে তিনি তা করছেন সঠিক তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। কারণ যদি পর্যবেক্ষণ কারীর পরিচয় প্রকাশ পায় তাহলে যাদের পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে তাদের আচরণের উপর প্রভাব পড়তে পারে। যার ফলে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে না।

 

প্রকৃতপক্ষে নির্দিষ্ট এবং স্বীকৃত কোন পদ্ধতি নেই যে সেই ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। গবেষকের নিজস্ব চিন্তা চেতনা দ্বারা গবেষক তার গবেষণার ধরণ অনুযায়ী যে পদ্ধতি উপযুক্ত মনে করেন তিনি সেই পদ্ধতিই ব্যবহার করবেন।

 

b) Relations to subjects:

মাঠ পর্যায়ে গবেষণার ক্ষেত্রে যে সকল বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যাদের নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে তাদের সাথে সম্পর্ক কিরূপ হবে সেই বিষয়টি।

 

যাদের পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে তাদের কাছ থেকে যদি সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে হয় তাহলে অবশ্যই তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, শুধু তাই নয় যাদের নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে তাদের ধ্যান ধারণা এবং বিশ্বাসের সাথে এক মত হতে হবে। কিন্তু যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে অন্তত পক্ষে একমত না হয়ে বরং ভান করা যেতে পারে।

 

এখানে সমস্যা হলো যদি ভান করা হয় তাহলে অনেক ক্ষেত্রে তাদের প্রকৃত আচরণ ভালোভাবে বোঝা যাবে না। যেমন-কোন ধর্ম বিশ্বাসীদের বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে হলে সেই ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাসের সাথে একমত হতে হবে, এখানে ভান করলে তাদের বিশ্বাস ভালোভাবে বোঝা যাবে না। অর্থাৎ যাদের নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে তাদের এবং তাদের আচরণ সত্যিকার অর্থে অনুধাবন করতে হবে।

 

ÿ Some qualitative field research paradigms:

কোন একটি ঘটনা যেখানে ঘটছে এবং যেভাবে ঘটছে ঠিক সেইভাবে পর্যবেক্ষণ করাই হলো মাঠ গবেষণা, প্রকৃতপক্ষে এই গবেষণা পদ্ধতির কয়েকটি এ্যাপ্রোচ আছে-

 

a) Naturalism:

প্রকৃতিবাদ হলো গুণাত্মক গবেষণার একটি পুরাতন ঐতিহ্য। আমাদের সমাজে এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলো প্রাকৃতিক ভাবেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। আর তাই একজন গবেষক যখন প্রকৃত ঘটনা কি এবং তার বাস্তবতা কি সেটি ঠিক রেখে ঘটনাটি যেভাবে ঘটছে ঠিক সেই ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং ঠিক সেইভাবে রিপোর্ট প্রদান করে তখন তাকে প্রকৃতিবাদ বলা হয়।

 

সুতরাং প্রকৃতিবাদ হলো সেই এ্যাপ্রোচ যার মাধ্যমে সামাজিক বাস্তবতা ঠিক রেখে ঘটনাটি যেভাবে ঘটছে ঠিক সে ভাবেই পর্যবেক্ষণ করা এবং সঠিকভাবে রিপোর্ট প্রদান করা।

 

b) Ethnomethodology:

মাঠ গবেষণার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ এ্যাপ্রোচ। এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে কেউ কখনো গবেষণা করেনি বা কোন মতামতও প্রদান করেনি। এই সকল বিষয়ে গবেষণা করে সেই সম্পর্কে কিছু বলাই হলো এ্যাথনোম্যথডোলজি।

 

সুতরাং আমরা বলতে পারি এই এ্যাপ্রোচটি আমাদের সামাজিক জীবনের সেই সকল বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে যেগুলো সম্পর্কে কোন কিছু বলা হয়নি বা কোন ধারণা প্রতিষ্ঠিত করা হয়নি।

 

c) Ground theory:

পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে যখন কোন তত্ত্ব তৈরী করা হয় তখন তাকে Ground theory বলা হয়। এই পদ্ধতিটি প্রকল্পের চেয়ে আলাদা। এখানে গবেষণা প্রক্রিয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিশেষ করে উপাত্ত বিশ্লেষণের বৈধতা ও উপযুক্ততা যাচাই করার জন্য পদ্ধতিগত কোডিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

d) Case studies and external case method:

সামাজিক গবেষকরা সাধারণত কেস স্টাডির কথা বলে থাকেন যা সামাজিক কোন একটি বা কিছু ঘটনা বা বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করে। যেমন-কোন একটি গ্রাম, পরিবার ইত্যাদি। কেস স্টাডির প্রধান লক্ষ্য হলো ভুল-ত্রুটিগুলো খুজে সেগুলোকে সংশোধন করা।

 

 

অর্থাৎ কেস স্টাডি ব্যবহার করা হয় সামাজিক কোন তত্ত্বের ভুল গুলোকে বের করে তার উন্নয়ন সাধন করার জন্য।

 

e) Institutional ethnography:

প্রাতিষ্ঠানিক লোক পদ্ধতি তত্ত্ব এমন এক ধরণের গবেষণা কৌশল যার মাধ্যমে কোন একক ব্যক্তির ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা ভিত্তক সম্পর্ক এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো খুঁজে বের করা হয়।

 

f) Participatory action research:

এটি হলো গুণাত্মক মাঠ গবেষণার শেষ প্যারাডাইম। এখানে গবেষণা কার্য উত্তরদাতাদের দ্বারা প্রভাবিত হবে এবং তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। যে সকল উত্তরদাতাদের নিয়ে কাজ করা হবে তারা নিজেরাই ঐ বিষয়ের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করবে, আলোচনা করবে, সমাধানের উপায় বের করবে এবং সমস্যা সমাধানে তা বাস্তবায়ন করবে। গবেষণার উপর গবেষকের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। তার কাজ হচ্ছে উত্তরদাতাদের সাহায্য করা।

ÿ Techniques for Conducting Qualitative Field Research:

গুণাত্মক মাঠ গবেষণা কার্য সম্পাদনের কিছু ধারণা ও কৌশল আছে। নিম্নে সেই ধারণা ও কৌশলগুলো আলোচনা করা হলো-

 

a) Preparing for the field research:

মাঠ গবেষণা করার জন্য প্রথমে কোন একটি বিষয় নির্ধারণ করে নিয়ে তার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। এর পর সেই বিষয়ে পূর্বে কোন গবেষণা করা হয়েছে কিনা সেটি খুজে বের করতে হবে। অর্থাৎ সাহিত্য পর্যালোচনা করতে হবে।

 

যেমন-যদি আমি গবেষণা করতে চাই ক্যাম্পাস রাজনীতি নিয়ে তাহলে প্রথমেই আমাকে ধরে নিতে হবে আমি ঐ রাজনৈতিক দলের সদস্য নই এবং আমি ঐ দল সম্পর্কে কিছু জানি না। আমি নিজেকে তাদের সামনে গবেষক হিসেবে উপস্থাপন করব। এরপর এই সম্পর্কিত কোন গবেষণা পূর্বে করা হয়েছে কিনা তা বের করতে হবে। অথবা সেই দলের কোন সদস্যের সাথে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু যাকে বেছে নেয়া হবে তার ব্যক্তিগত মতামত তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

 

b) Qualitative interview:

গুণাত্মক সাক্ষাৎকার মাঠ গবেষণার ক্ষেত্রে উপাত্ত সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।এটি জরিপ সাক্ষাৎকারের চেয়ে একটু আলাদা। জরিপ সাক্ষাৎকারের উপাত্ত সংগ্রহের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয় আর গুণাত্মক সাক্ষাৎকারে প্রশ্নমালার চেয়ে সেই বিষয়ের উপর সু-গভীর আলোচনার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

 

মাঠ গবেষণা হলো এমন একটি বিষয় যেখানে কোন একটি ঘটনাকে যেভাবে ঘটছে সেভাবে দেখা এবং শোনা। গবেষক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন এবং উত্তরদাতার উত্তরের একটি ব্যাখ্যা দ্বার করান। এই ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে পরবর্তী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন। যেমন-কোন জায়গায় দাঙ্গা হচ্ছে। গবেষক তা পর্যবেক্ষণ করছে কিন্তু গবেষক জানে না সেখানে কেন দাঙ্গা হচ্ছে। আর তাই সেটি জানার জন্য গবেষক কাউকে প্রশ্ন করে সে বিষয়ে জেনে নিতে পারে।

 

সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া ৭টি ধাপের সম্পাদন করা যেতে পারে। নিচে সেগুলো উল্লেখ করা হল-

i) The matizing:

সাক্ষাৎকারের বিষয়টি পরিস্কার করে দেওয়া এবং কি জিনিস আবিষ্কার করতে যাওয়া হচ্ছে তা জানানো।

 

ii) Designing:

প্রক্রিয়াটি কিভাবে সম্পন্ন হবে তার একটা নকশা তৈরি করা।

 

iii) Interviewing:

এর পরের ধাপটি হলো প্রকৃত সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ।

 

iv) Transcribing:

সাক্ষাৎকারটি একটি লিখিত রূপদান করা।

 

v) Analyzing:

সংগৃহীত উপাত্তগুলো গবেষণার সাথে সম্পর্কিত রেখে অর্থ নির্ধারণ করা।

 


vi) Verifying:

সংগৃহীত উপাত্তগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং বৈধতা যাচাই করা।

 

vii) Reporting:

গবেষণায় যা পাওয়া গেল তা অন্যদের জানানো।

 

মাঠ গবেষণার অন্যান্য দিকগুলোর মত সাক্ষাৎকারটিও অনুশীলনের (practice) মাধ্যমে উন্নতি করা সম্ভব। অনুশীলনটি যে কোন সময় করা যেতে পারে। যেমন-কোন বন্ধুর কাছে সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে অনুশীলন করা।

 

c) Focus groups:

ফোকাস গ্রুপকে দলগত সাক্ষাৎকারও বলা হয়ে থাকে। এটি হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি দলকে একসাথে আলোচনার মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। যেমন-মার্কেটিং গবেষকরা তাদের কোন একটি পণ্য বিশ্লেষণের জন্য একদল ভোক্তাদের জিজ্ঞাসা করে থাকে।

 

ফোকাস গ্রুপ পদ্ধতিকে বলা হয় গ্রুপ সাক্ষাৎকার প্রকৃতপক্ষে এটি হলো গুণাত্মক পদ্ধতি। এটি কাঠামোগত, অর্ধ কাঠামো বা অকাঠামোগত হতে পারে। ফোকাস গ্রুপে কোন একটি বিষয়ের উপর আলোচনার জন্য ১২-১৫ জন মানুষকে একটি স্থানে একত্রিত করা হয় ।

 

ফোকাস গ্রুপ সাক্ষাৎকারের সুবিধা-

i)    এর মাধ্যমে সামাজের কোন একটি পরিবেশের বাস্তব জীবনের উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়।

ii)   এটি একটি নমনীয় পদ্ধতি।

iii) এর বৈধতার পরিমাণ অনেক বেশি।

iv) এটির ফলাফল অতিদ্রুত পাওয়া যায়।

v)   এতে খরচের পরিমাণ কম।

 

ফোকাস গ্রুপ সাক্ষাৎকারের অসুবিধার-

i)    ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের চেয়ে ফোকাস গ্রুপে গবেষকের নিয়ন্ত্রণ কম থাকে।

ii)   উপাত্তগুলো বিশ্লেষণ করা জটিল।

iii) নিয়ন্ত্রকের বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হয়।

vi) দলের মধ্যে পার্থক্য হলে ঝামেলার সৃষ্টি হয়।

v)   দলকে একত্র করা কঠিন।

vi) আলোচনাটি অবশ্যই একটি অনুকূল ও সহায়ক পরিবেশে হতে হয়।

 

d) Recording observation:

মাঠ গবেষণার অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো এখানে পর্যবেক্ষণ এবং গবেষকের চিন্তা সেই সময় উপস্থিত থাকে। সাক্ষাৎকার গ্রহণ বা পর্যবেক্ষণের সাথে সাথে সেগুলো যথা সম্ভব টেপরেকর্ডার, ক্যামেরা ইতাদির মাধ্যমে রেকর্ড করে নিতে হবে। যদি সম্ভব না হয় তাহলে সেগুলো যতটা সম্ভব লিখিত আকারে সংরক্ষণ করতে হবে।

Leave a comment

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: