Method of Administering (Survey Question )

Method of Administering

( কয়টি পদ্ধতির মাধ্যমে Survey Question Respondent এর কাছে তুলে ধরা যায় )

 

1. Self-administered questionnaires:

অনেক সময় প্রশ্নপত্র এমন ভাবে তৈরী করা হয় যাতে উত্তরদাতারা একক ভাবে বা নিজস্ব বিচার বুদ্ধির মাধ্যমেই প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে পারে। আর এই উত্তরদাতাদের নিজস্ব উত্তর প্রদান করার মত যে প্রশ্নপত্র তাকেই Self-administered questionnaires বলে।

সাক্ষাৎকার ও Self-administered questionnaires এর মধ্যে পার্থক্য আছে। সাক্ষাৎকার বলতে সরাসরি প্রশ্নপত্র দিয়ে বা মুখোমুখি প্রশ্নপত্র জিজ্ঞাসা করার মাধ্যমে বা টেলিফোনের মাধ্যমে জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে যে উত্তর সংগ্রহ করা হয় তাই। এখানে গবেষকের কাজ হচ্ছে উত্তর প্রদানের সময় কোন সমস্যা হলে তা সমাধান করতে সাহায্য করা। পক্ষান্তরে, Self-administered questionnaires বলতে উত্তরদাতারা যে প্রশ্নপত্রে নিজেদের ক্ষমতার মাধ্যমেই উত্তর প্রদানে সক্ষম হয় বা উত্তর প্রদানের সময় গবেষকের সাহায্য প্রদান করতে হয় না, এমন পশ্ন কাঠামোই হচ্ছে Self-administered questionnaire।

সবচেয়ে পরিচিত Self-administered questionnaire হচ্ছে মেইল জরিপ পদ্ধতি। তাছাড়া আরও পদ্ধতি আছে যেগুলো সচরাচর ব্যবহৃত হয়। সাধারণত যে সকল প্রশ্নপত্রের উত্তরের জন্য উত্তরদাতার নিকট প্রশ্নপত্র ডাকযোগে পাঠানো হয় সে ধরণের প্রশ্নপত্র এই কাঠামোয় তৈরী হয়।

 

এই পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ডাকযোগে উত্তরদাতার নিকট পাঠানো হয় এবং প্রশ্নপত্র উত্তর প্রদানের পর গবেষকের কর্মী উত্তর দাতার ঠিকানা থেকে সরাসরি নিয়ে আসে, না হয় গবেষকের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে বলে। আবার গবেষকের কর্মী সরাসরি উত্তরদাতাদের বাড়িতে গিয়ে প্রশ্নপত্র বিলি করে এবং উত্তরদাতাকে গবেষণার বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করে এবং পরে গবেষক এটি সংগ্রহ করে বা গবেষকের  ঠিকানায় প্রশ্নপত্র ফেরত দিতে বলে। এর কিছু কাঠামো আছে। যথা –

 

a. Mail distribution and return:  

ডাকযোগে প্রশ্নপত্র পাঠানো তথ্য সংগ্রহের সাধারণ/পরিচিত পদ্ধতি। প্রশ্নপত্রের সাথে একটা চিঠি, ডাকটিকেট, খাম প্রদান করা যাতে ঐ খাম ও ডাকটিকের মাধ্যমে গবেষকের ঠিকানায় ফেরত দেওয়া যায়। আর চিঠিতে প্রশ্নপত্রের নির্দেশনা প্রদান করতে হয়। উত্তরদাতার নিকট থেকে আশা করা হয় যে তারা যথা সময়ে উত্তর প্রদান করবে এবং খাম এর মাধ্যমে তা ফেরত দিবে। যদি কোন কারণে উত্তর দাতা উত্তর প্রদান না করে তাহলে উত্তরদাতার নিকট পুনরায় জানতে চাওয়া হবে, কেন ফেরত দেয়নি এবং কারণ মনে রাখতে এবং পরবর্তীতে অন্যান্যদের ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করতে হবে।

 

প্রশ্নপত্র ফেরত না পাঠানোর সাধারণ কারণ হচ্ছে এর বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। এই সমস্যা সমাধান করলে উত্তরদাতার উত্তর প্রদান করা সহজ হয়। আবার যদি প্রশ্নপত্রটি এমন ভাবে তৈরি করা যায় যাতে প্রশ্নপত্রটি ভাজ করলে এর ঠিক বাইরের অংশে গবেষকের ঠিকানা থাকে  তাহলে গবেষক সহজে প্রশ্নপত্র পাঠাতে পারে।

 

b. Monitoring returns:

গবেষককে শধু প্রশ্নপত্র পাঠালে হবে না তার সঠিক তত্ত্বাবধনের ও প্রয়োজন রয়েছে। এইখানে গবেষক দেখে তার প্রশ্নপত্র কী পরিমাণ উত্তর ফেরত আসছে। গবেষক এই জন্য ছক তৈরী করতে পারে। প্রথম যেদিন উত্তর ফেরত আসবে ঐ দিনকে প্রথম দিন ধরে প্রতিদিনকে গণনা করা। এখানে ২টা ছক করা যেতে পারে, একটিতে প্রশ্নপত্র ফেরত আসার পরিমাণ, আরেকটিতে ক্রমবর্ধমান শতকরা হার  উল্লেখ করার জন্য। যার মাধ্যমে গবেষকের তথ্য সংগ্রহের সফলতার চিত্র ফুটে উঠবে।

 

উত্তরপত্র ফেরত আসা শেষ হবার পর তা খুলে দেখতে হবে,পরীক্ষা করতে হবে এবং সনাক্তকরণ নাম্বার প্রদান করতে হবে। এই নাম্বার প্রদানে সুবিধা আছে, যেমন:উত্তরপত্র ফেরত প্রদানের মাঝে যদি গবেষণার সাথে সম্পৃক্ত কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তার প্রভাব পড়েছে কী না তা ঐ ক্রমিকানুসারে নির্ণয় করা যায়। অর্থাৎ উত্তরদাতা ঘটনার আগেই প্রশ্নপত্র পূরণ করেছে কী না তা জানা যায়। আরেকটা সুবিধা হচ্ছে এর ফলে জানা যায় কারা উত্তর প্রদান করতে চায়নি বা দেরী করেছে।

 

c. Follow-up mailing:

উত্তর প্রদান Follow-up মেইল করার বিভিন্ন উপায় আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে যারা উত্তর প্রদান করছে না তাদেরকে পুনরায় চিঠি প্রদান করে  উত্তর প্রদানে উৎসাহিত করা। Follow-up mailing মেইলের সাথে  জরিপ কার্যের প্রশ্নপত্রের আরেকটা কপি প্রদান করা একটি ভালো পদ্ধতি। যদি ২ বা ৩ সপ্তাহের পরেও প্রকৃত উত্তরপত্রটি না আসে তাহলে বুঝতে হবে যে উত্তরদাতা প্রশ্নপত্র হারিয়ে ফেলেছে বা ভুল কোথাও পাঠানো হয়েছে। আর এই সময়ে উৎসাহিত করণ চিঠি দেওয়া হলে তখন উত্তরদাতা উত্তর প্রদান করতে চায়। তত্ত্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে Follow-up mailing উত্তর প্রদানের হার বৃদ্ধি করতে অধিক কর্যকরী। Follow-up mailing এর জন্য সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় গবেষকের উপর নির্ভর করে। গবেষক উত্তরদাতাকে কত সময় দেবে তা গবেষক নিজেই জানে।

 

d. Acceptable response rate:

সাধারণত নতুন জরীপ কার্যে গবেষকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মেইল গ্রহণের হার। যদি প্রাথমিক নমুনায়নের সমপরিমাণ সাড়া পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে যে উত্তর প্রদানে কোন বাঁধা পড়েনি। তবে সাধারণত সকলের কাছ থেকে উত্তর পাওয়া যায় না। মোট কত জনের কাছে প্রশ্নপত্র পাঠানো হলো এবং কত জন এর উত্তর পাঠালো তার মাধ্যমে উত্তরদাতার হার বের করা হয়। এক্ষেত্রে যদি উত্তরদাতার হার কম হয় তবে জরিপ পক্ষপাতদৃষ্ট হতে পারে। কারণ একটি ছোট বিশ্লেষন একক  সাধারণত বড় একককে প্রতিনিধীত্ব করে না। তাই উত্তরদাতার সংখ্যা যত বেশি হয় ততই ভালো। কিন্তু এর কোন নির্ধারীত সংখ্যা উল্লেখ্য নেই। তবে মনে করা হয় এর সংখ্যা ৫০% হলে পর্যাপ্ত, ৬০% হলে ভালো এবং ৭০% হলে খুবই ভালো। তাহলে জরিপ কার্য পক্ষপাতদৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

 

4 Responses

  1. I read this paragraph completely concerning the resemblance of hottest and preceding technologies, it’s amazing article.

    Like

  2. Good day! I just would like to give you a huge thumbs up for the excellent info
    you have here on this post. I’ll be returning to your web
    site for more soon.

    Like

  3. It’s a pity you don’t have a donate button! I’d most certainly donate to this fantastic blog!
    I guess for now i’ll settle for bookmarking and adding your RSS feed to my Google
    account. I look forward to brand new updates and will talk about this website with my Facebook group.

    Chat soon!

    Like

  4. I couldn’t refrain from commenting. Well written!

    Like

Leave a comment

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: