Meaning and types of governance

শাসন ব্যবস্থার অর্থ (Meaning of Governance)

শাসনব্যবস্থা ধারণাটি নতুন নয়। মান সভ্যতার জীবন শুরু হওয়ার পর থেকে শাসনব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। শাসনব্যবস্থা, সেটি ভালো হোক অথবা মন্দ হোক এর বাস্তবায়ন ছাড়া পৃথিবীতে কোন সামাজিক ব্যবস্থা ছিল না। অনেক পরিবর্তনের পর আমরা এখন শাসনব্যবস্থার বর্তমান আকার দেখতে পাই। সরকার শাসনব্যবস্থার একটি অংশ। যেখানে শাসনব্যবস্থা থাকবে না, সেখানে সামাজ ব্যবস্থা থাকবে না। সকলের গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে এটা মাসনব্যবস্থার একটি অংশ। জাতীয় পর্যায়ে মিডিয়া, লবিষ্ট, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, বহুজাতিক সংগঠন ইত্যাদিকে অন্তর্ভূক্ত করা যায়। এগুলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রকিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বর্তমানে সন্দেহ করার অবকাশ নেই যে, শাসনব্যবস্থা সমসাময়িক উন্নয়নের কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে উঠেছে এবং উন্নয়নমূলক পেশাদার, নীতি নির্ধারক, নীতি বিশেষজ্ঞদের কাছে এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যান্য স্থানের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমূলক সংস্থার গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করেছে । যদিও শাসনব্যবস্থার গুরুত্ব বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা এর সার্বজনীন সংজ্ঞা প্রদান করতে পারেনি। শাসনব্যবস্থা হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হতে পারে আবার নাও হতে পারে। যে প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এবং যে প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে সেটিই শাসনব্যবস্থা। যাইহোক, শাসনব্যবস্থা বিশ্লেষণ করা হলে ৩টি মৌলিক প্রশ্ন এসে যায়।
কি কিভাবে এবং কতটা ভালো

একটি সরকার কিভাবে পরিচালিত হয় সেটাই হল শাসনব্যবস্থা। সিদ্ধান্ত গ্রহণ পক্রিয়া এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া হলো শাসনব্যবস্থার মূল ইস্যু।

শাসন ব্যবস্থার সাধারাণ সংজ্ঞা প্রদান করে-
Webster’s Third New International Dictionary (1986:982)- Governance is of some assistance, indicating only that governance is a synonym for government, or “the act of process of governing, specifically authoritative direction and control.”
এখানে মূলত সরকারের নির্বাহী বিভাগের কার্যকারীতার কথা বলা হয়েছে।

“GOVERNANCE is the manner in which power is exercised in the management of a country’s social & economic resources for development. Governance means the way those with power use that power.”(ADB)

বিশ্বব্যাংক শাসনব্যবস্থার সংজ্ঞা দিয়েছে এভাবে-
The exercise of political authority & the use of institutional resources to manage society’s problems & affairs.
শাসন ব্যবস্থার ধরণ
 বিশ্বব্যাপী শাসনব্যবস্থাঃ
একছত্র রাজনীতি বাদ দিয়ে স্বাধীন দেশ গুলো নিয়ে বিশ্বব্যাপী
শাসনব্যবস্থা(Global Governance) গঠিত হয়। শাসন ব্যবস্থার যে ধরণ দেখা যায় তার মধ্যে সামগ্রিক শাসন ব্যবস্থা অন্যতম। এই সামগ্রিক শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে যারা ধারণা দিয়েছেন তাদের মধ্যে জেমস্ রোজেনা (James Rosenau) সবচেয়ে বেশি এই সম্পর্কে কথা বলেছেন। স্বাধীন রাষ্ট্রে যে পারস্পরিক সম্পর্ক অথবা আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হলো এই সামগ্রিক শাসন ব্যবস্থার উদাহরণ বলা যেতে পারে। যেমন-ও.আই.সি, সার্ক ইত্যাদি।

 যৌথ শাসনব্যবস্থাঃ
যে প্রকিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠানের সকল স্টেকহোল্ডাররা সেই প্রতিষ্ঠানের নিয়ম,নীতি ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত হয় তাকে যৌথ শাসনব্যবস্থা বলা হয়। কোন প্রতিষ্ঠানের সকল স্টেকহোল্ডাররা একই ধরনের মূল্যবোধে বিশ্বাসি হবে। আবার, একটি প্রতিষ্ঠান যে প্রক্রিয়ায় জনগণকে নিয়ে কাজ করে সেটাই যৌথ শাসনব্যবস্থা নামে পরিচিত। সর্বপ্রথম রিচার্ড ইলস (Richard Eells) যৌথ নীতির গঠন এবং কার্যাবলী চিহ্নিত করার জন্য যৌথ শাসন ব্যবস্থার ব্যবহার করেন। যৌথ শাসন ব্যবস্থা একটি পুরতান ধারণ এবং বিংশ শতাব্দীতে আর্থিক পাঠ্যপুস্তকে ব্যবহার করা হয়েছে। যৌথ শাসনব্যবস্থা ধারণাটি উদ্ভব হয় ১৯৯৭-৯৮ সালে। এশিয়ার অর্থনৈতিক মন্দার সময়। সাধারণভাবে যৌথ শাসনব্যবস্থা কোম্পানীর ব্যবস্থাগত সিদ্ধান্ত সামর্থ্য নিধারণকারী আইন, কার্যপ্রণালী ও রীতিনীতি ইত্যাদির সাথে জড়িত।

 তথ্য প্রযুক্তি শাসনব্যবস্থাঃ
তথ্য প্রযুক্তি শাসন ব্যবস্থার প্রধান অংশ হল ব্যবসা সংক্রান্ত কেন্দ্রীভূতকরণ এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্তাপনা। এই শাসনব্যবস্থার লক্ষ্য হল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করা এবং তথ্য প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত কাজের ঝুকি উপশম করা।

Ö অংশশ্রগহণমূলক শাসনব্যবস্থাঃ
অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থার মূল কথা হল রাষ্ট্রে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রে সুশীল সমাজ থাকতে হবে। রাজনৈতিক বিষয় কিংবা জনগণের সিদ্ধান্ত গঠনে নাগরিকরা সরাসরি ভূমিকা পারল করবে। মোটকথা নাগরিকের অধিকার যেমন ভোটদাতাদের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা পালন করবে।

Ö অলাভজনক শাসনব্যবস্থাঃ
অলাভজনক শাসনব্যবস্থা হল শাসনব্যবস্থায় একটি বড় ইস্যু। বিশ্ব ব্যাংকের মাধ্যমে এই শাসনব্যবস্থার সৃস্টি। সরকার যখন একা কাজ করতে পারে না তখন একটি প্রতিষ্ঠান জনগণের স্বার্থে কাজ করবে। এটাই অলাভজনক শাসনব্যবস্থা।

Ö ইসলামী শাসনব্যস্থাঃ
ব্যক্তিগত এবং জাতীয় জীবনে আল্লাহ আনুগত্য করা হল ইসলামী শাসনব্যবস্থার মূল কথা। এখানে সরকার ব্যবস্থা হবে কুরআন এবং সুন্নাহ’র আলোকে।

163 Responses

  1. Way cool! Some extremely valid points! I appreciate
    you penning this post and the rest of the site is extremely good.

    Like

  2. baby bathing games

    baby bathing games

    Like

  3. The following time I learn a weblog, I hope that it doesnt disappoint me as much as this one. I imply, I know it was my choice to learn, however I truly thought youd have one thing fascinating to say. All I hear is a bunch of whining about something that you may repair if you happen to werent too busy searching for attention.

    Like

Leave a comment

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: