Democratic Governance

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা (Democratic Governance)

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই আমাদের গণতন্ত্র সম্পর্কে জানতে হবে। গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার ব্যবস্থা। “Democracy is the govt. of the people, by the people and for the people.
গণতন্ত্রে জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস। জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে সরকার ব্যবস্থা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে থাকে। গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার কতগুলো বৈশিষ্ঠ্য আছে-
 স্বচ্ছতা
 জবাবদিহিতা
 অংশগ্রহণ
সাধারন ভাবে বলা যায়, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা হল সেই শাসনব্যবস্থা, যেখানে জনগন প্রচলিত এবং অবশ্যই গ্রহনযোগ্য আইন এবং নীতির মাধ্যমে তাদেরকে(গণতন্ত্র) পরিচালনার অধিকার রাখে।
“The concept of democratic governance concerns political freedom and human rights, and removal of discrimination as central objectives” (Abdellatif, 2003:10).

সুতরাং আমরা বলতে পরি যে, গণতন্ত্র হলো সেই সরকার ব্যবস্থা যেখানে কোন দেশের সরকার সেই প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনগণের শাসন ব্যবস্থা। এক কথায় আমরা বলতে পারি যে গণতন্ত্রের বৈশিষ্ঠ্যগুলো যখন শাসন ব্যবস্থায় বিদ্যমান থাকে তখন তাকে বলা হয় গণতান্ত্রিক শাসন।

 Seven Pillars of Democratic Governance:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ৭টি পিলার/স্তম্ভ আছে। গণতান্ত্রিক বা ভালো শাসন ব্যবস্থার জন্য এই পিলারগুলো সর্বজন স্বীকৃত।

১. বৈধতা (Legitimacy):
বৈধতা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম পিলার। এখানে বৈধতা বলতে বোঝানো হয় সাংবিধানিক নীতিগুলো বা দলিলপত্রগুলো বৈধ হবে, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা বৈধভাবে নির্বাচিত হবে অর্থাৎ তারা সাধারণ জনগণের বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করবে। The Canadian Bill of Rights (1960) বলা হয় মানুষ এবং প্রতিষ্ঠান তখনই স্বাধীন হবে যখন তাদের নৈতিকতা, তাত্ত্বিক মূল্যবোধ এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে স্বশ্রদ্ধেয় স্বাধীনতা থাকবে। অন্যদিকে The American Declaration of Independence (1976) বলা হয় “সরকার …… তাদের ক্ষমতা শুধুমাত্র শাসন কার্য পরিচালনায় ব্যবহার করবে।”

২. অংশগ্রহণ (Participation):
অংশগ্রহণ হলো পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ভোটার শেয়ারহেল্ডার, সদস্য এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণ। জনগণের সমস্যা তারাই ভালো জানে, আর তাই এই সকল ক্ষেত্রে যদি জনগণের অংশগ্রহণ থাকে তাহলে governing body বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবে ফলে তারা জনগণকে দক্ষতার সাথে সেবা প্রদান করতে পারবে এবং জনগণও তাদের সেবার মান সম্পর্কে অবগত থাকবে।আর এই প্রক্রিয়াটা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।

৩. দায়িত্বশীল তত্ত্বাবধান (Responsible Stewardship):
এটি হলো কর্তব্য পালনে বিশ্বস্ততার পরিচয় দেয়া এবং আর্থিক ও মানবিক সম্পদের বণ্টনের ক্ষেত্রে দক্ষ এবং দায়িত্বশীল হওয়া। অর্থাৎ যারা সেবা প্রদান করে তারা তাদের কাজে দায়িত্বশীল এবং বিশ্বস্ত হবে।

৪. নৈতিক আচরণ (Ethical Conduct):
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম স্বম্ভ হলো নৈতিকতা। এর মূল বিষয় হলো সকল ধরণের কাজে সততা, শ্রদ্ধা, উন্মুক্ততা এবং স্বচ্ছতা থাকবে এবং যে সকল সেবা প্রদান করা হবে তা যেন প্রাথমিক উপকার ভোগীরা পায়।
যেমন- আমাদের দেশের হাসপাতাল গুলোতে কোন পলিসি বা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলে তাতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বা মতামত থাকে না। বরং এসকল বিষয়ে আলোচনা করা হয় কোন ডাক্তার বা ঔষধ কোম্পানীর সাথে।
আবার, আমাদের দেশে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়, সেখানা যারা প্রাথমিক উপকার ভোগী তাদের কাছে কিভাবে বই পৌছাবে তা নিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করা হয় না। আলোচনা করা হয় বইয়ের ব্যবসায়ী বা যারা বই তৈরী করে তাদের সাথে।

৫. স্বচ্ছতা (Transparency):
স্বচ্ছতা হলো Free flow of information. অর্থাৎ সেবা গ্রহীতা বা স্টেকহোল্ডাররা বিভিন্ন ধরণের অর্থনৈতিক, সেবা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক এবং যৌক্তিক তথ্য পাবে। আর এই স্বচ্ছতা বিভিন্নভাবে হতে পারে যেমন- উন্মুক্ত সভা, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য কার্যসম্পাদন সূচক (Indicator), বার্ষিক রিপোর্ট প্রদান এবং আর্থিক বিবৃতির পরীক্ষা ইত্যাদির মাধ্যমে।

৬. ভবিষ্যদ্বানীতা (Predictability):
এটি হলো নির্বাচিত অফিসার বা সদস্যদের কার্যাবলী। Role Define অর্থাৎ প্রতিটি কর্মীর কার্যাবলী বা দায়িত্ব নির্দিষ্ট থাকে এবং সেই অনুযায়ী (Role Definition) যদি কাজ হয়ে থাকে তাহলে তাকে বলা হয় Predictability. অবশ্য এখানে জনগণের কিছু দায়িত্ব আছে, সেই দায়িত্ব বা নিয়মগুলো মেনেই তাদেরকে সেবা নিতে হবে।
Predictability হলো “promise keeping” বা প্রতিজ্ঞা রাখা যা একজন কানাডিয়ান কবি Robert Service এর কথা ফুঠে ওঠে “A promise made is a debt unpaid.”

৭. জবাবদিহিতা (Accountability):
জবাবদিহিতা হলো নীতি নির্ধারকদের কাজের ব্যাপারে সাধারণ জনগণ তথা ভোটার, শেয়ারহোল্ডারদের হিসাব চাওয়া। অর্থাৎ যারা নীতি নির্ধারণ করে তাদের কাজের জবাবদিহিতা। একটি কার্যকরী জবাবদিহিতার ২টি উপাদান থাকে-Answerability এবং Consequences.
প্রথমটি হলো কর্মীর অফিসিয়াল কাজের প্রশ্নের জবাব দেওয়া এবং দ্বিতীয়টি হলো সকল কাজের পুরস্কার প্রদান এবং কাজে ব্যর্থ হলে বা ত্রুটি হলেও সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।

 গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার উপাদানঃ
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বলতে আমরা বুঝে থাকি কোন একটি সেক্টরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন যেখানে নির্দিষ্ট গণতান্ত্রিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। নিম্নে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার উপাদানগুলো আলোচনা করা হলো-

1. Election:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান উপাদান হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া কোন শাসন ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক হতে পারে না।
 Institutional Aspects:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপটে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন থাকবে।
 Possible indicators
– স্বাধীন, স্বচ্ছ এবং নিয়মিত নির্বাচন
– স্বাধীন হলো যে কেউ রাজনৈতিক দল গঠন করতে পারবে।
– স্বচ্ছ হলো যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হবে তা হতে হবে বৈধ।
– এবং নিয়মিত নির্বাচন হতে হবে।
 Civil Society Aspects:
সিভিল সোসাইটির প্রেক্ষাপটে বলা হচ্ছে এখানে
– রাজনৈতিক দল থাকবে এবং
– সংগঠনে নাগরিক এবং যুবসমাজের সংশ্লিষ্টতা থাকবে।
 Possible indicators
সিভিল সোসাইটির প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য নির্দেশক (Indicator) গুলো হলো- – রাজনৈতিক দলের তহবিল পরিচালনা প্রক্রিয়া এবং দলের প্রশাসন।
– নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সংগঠনে যথাযথ কার্য সম্পাদন করবে। – নারী এব সংখ্যালঘুদের নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

2. Human Rights:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত হবে।  Institutional Aspects:
মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য যে সকল প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় থাকা আবশ্যক তা হলো- – মানবাধিকার সংরক্ষণে আদালত থাকবে।
– জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান থাকবে, যেমন- কমিশন এবং ন্যায়পাল।
– মানবাধকার সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এবং আইন সহ সরকারী বিভাগ থাকবে। – মানবাধিকার সংরক্ষনের এবং উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ সৈন্য বাহিনী থাকবে।
 Possible indicators
মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং নিশ্চিত করণে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সম্ভাব্য Indicator গুলো হলো-
– মানবাধিকার সংরক্ষণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক/বৈধ আইন/ – আন্তর্জাতিক চার্টার গুলোর সাথে অঙ্গীকার থাকবে।
– কোন অন্যায় হলে তা তুলে ধরার জন্য স্বাধীন কমিশন এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক কৌশল বা ব্যবস্থা থাকবে।
– মানবাধিকার ভোগের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক বাধাগুলো দূর করতে হবে।
 Civil Society Aspects:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় মানবাধিকার রক্ষায় সিভিল সোসাইটির প্রেক্ষাপটে যে সকল বিষয় থাকতে হবে তা হলো-
– মানবাধিকার সংগঠন।
– বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন নারী অধিকার সংরক্ষণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ইত্যাদি তুলে ধরার মত দল থাকবে।
– পশ্চাদপদ জনসংখ্যার মধ্য থেকে প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে।
– মানবাধিকার সংরক্ষণে বিভিন্ন একাডেমি এবং বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে।  Possible indicators
– সিভিল সোসাইটির রেঞ্জ এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে হবে।
– রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সাথে Interact করার মেকানিজম থাকবে।

3. Court/Judicial system:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার আরেকটি উপাদান হলো কোর্ট বা বিচার ব্যবস্থা।  Institutional Aspects:
কোর্ট বা বিচার ব্যবস্থায় যে বিষয় থাকবে তা হলো-
– বিচারক
– আইন কমিশন
– প্রয়োজনীয় সাপোর্ট এবং প্রশিক্ষণ সহ সৈন্য বাহিনী।
 Possible indicators
– প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বিচারক এবং স্বাধীন বিচার বিভাগ
– বিচারকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম
– শাসন বিভাগ এবং আইন বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক
– বিচারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রক্রিয়ার যথপোক্ত নীতি
 Civil Society Aspects:
– বার এসোসিয়েশন
– আইন ফার্ম
– আইন অনুষদ
– বৈধ সাহায্য
 Possible indicators
– বৈধ বিশেষজ্ঞদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে।
– বিচার ব্যবস্থায় সাধারণ নাগরিকের প্রবেশাধিকার তথা অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।

4. Media:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো স্বাধীন এবং স্বচ্ছ গণমাধ্যম।
 Institutional Aspects:
– প্রতিষ্ঠান/সংগঠন ইত্যাদির জাতীয় স্থানীয় পর্যায়ের তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে নিবেদিত হতে হবে।
– তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং মাধ্যম থাকবে।
 Possible indicators
– যোগাযোগ এবং প্রযুক্তি পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নীতি থাকতে হবে। – মিডিয়ার মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোন পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। – স্বাধীনভাবে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে বাধাগুলো দূর করতে হবে।  Civil Society Aspects:
– সাংবাদিকতা বা স্বাধীন তথ্য পরিবেশনকারী নাগরিক বা দল থাকবে এবং নিরাপত্তা রক্ষা করবে।
– মিডিয়ার কর্মরত কর্মীদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে শিক্ষা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভূমিকা পালন করবে।
 Possible indicators
– স্বাধীন মতামত প্রদানের সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করতে হবে এবং নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে।
– স্বেচ্ছাচারী সাংবাদিকদের জন্য উপযুক্ত ট্রিটমেন্টের ব্যবস্থা থাকবে। – মিডিয়ার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং সমর্থন।

5. Legislative:
 Institutional Aspects:
– আইনসভা থাকবে (উচ্চ অথবা নিম্ন কক্ষ)
– আইন বিভাগীয় কমিটি।
– আইনজীবীদের সাপোর্ট দেয়ার জন্য সৈন্য বাহিনী থাকতে হবে।
 Possible indicators
– আইন বিভাগের গঠন, সাইজ এবং ক্ষমতা। অর্থাৎ আকার ছোট হতে হবে এবং আইন প্রনয়ণের ক্ষমতা প্রদান করতে হবে।
– নির্বাহী বিভাগের সাথে সম্পর্ক থাকতে হবে।
– এবং জবাবদিহিতার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো বা উপাদান থাকতে হবে।  Civil Society Aspects:
– আইন সভার উপর চাপ সৃষ্টি করতে শক্তিশালী রাজনৈতিক দল থাকবে। – আইন বিভাগের মধ্যে ঐক্যমত থাকতে হবে এবং তাদের সংগঠন থাকবে। – লবী গ্রুপ থাকবে।
 Possible indicators
– রাজনৈতিক দল এবং লবী গ্রুপের কার্যকারিতা বাড়াতে হবে।
– রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং অর্থনৈতিক পরিচালনায় যোগসূত্র থাকবে।

6. Executive:
 Institutional Aspects:
– নির্বাহী বিভাগের ক্ষেত্রে নির্বাহী অফিস এবং Advisor থাকবে।  Possible indicators
– নির্বাহী বিভাগের আকার খুব বড় হওয়া যাবে না, যেমন- আমাদের দেশে কর সংগ্রহের ক্ষেত্রে সংগৃহীত করের ৬০% ব্যয় হয় কর সংগ্রহ করতে।
– নির্বাহী বিভাগের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
 Civil Society Aspects:
– Lobby groups
 Possible indicators
– নির্বাহী বিভাগের সাথে নাগরিকের Interact এর উপাদানগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে হবে।

7. Civilian oversight mechanism:
 Institutional Aspects:
– প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপটে এর হিসাব নিরীক্ষক থাকবে।
– সাধারণ জনগণ যাতে বিচার পায় সেজন্য কোর্ট থাকবে।
– মানুষের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, গোয়েন্দা, সামরিক বাহিনী এবং রিভিউ কমিশন থাকবে। – নৈতিকতা রক্ষার জন্য Ethics Commissioner থাকবে।
 Possible indicators
– নাগরিকের নিরাপত্তা ও সেবার জন্য প্রয়োজনীয় নীতি এবং ক্ষমত থাকবে। – আইন ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক থাকবে।
 Civil Society Aspects:
– নাগরিকের বেআইনী বা স্বেচ্ছাচারী কাজের তথ্য এবং এর ফলে সৃষ্ট সমস্যা তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যম থাকবে।
– মানবাধিকার বিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদের জন্য মানবাধিকার কমিশন থাকবে।  Possible indicators
– সবধরণের তথ্য প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় নীতি থাকবে।

8. Public sector management including public finance:
 Institutional Aspects:
– পেশাগত সিভিল সার্ভিস থাকবে।
– সরকারের বিভিন্ন বিষয়ের হিসাব রক্ষার জন্য অডিটর জেনারেল থাকবে। – সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় Comptroller থাকবে। – সরকারের বিভিন্ন সেক্টরের কাজের ত্রুটি বা দূর্নীতির বিচারের জন্য প্রশাসনিক কোর্ট এবং ট্রাইবুনাল প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
 Possible indicators
– দূর্নীতি দমন সংস্থাসহ সরকারের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় কাঠামো থাকবে।
– সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বিশেষ করে নির্বাহী ও আইন বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক থাকবে।  Civil Society Aspects:
সারকারি খাতের ব্যবস্থাপনার জন্য সিভিল সোসাইটির প্রেক্ষাপটে যে সকল উপাদান থাকবে তা হল-
– পাবলিক সার্ভিস কমিশন
– ন্যায়পাল
– Ethics কমিশনার
 Possible indicators
– প্রশাসন পিরিচালনার জন্য যে সকল নীতি থাকবে তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। – সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের Performance যাচাইয়ের ব্যবস্থা।

9. Constitution:
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম ও প্রয়োজনীয় উপাদান হলো সংবিধান।  Institutional Aspects:
– সংবিধানের যে আইন আছে সেই আইন অনুযায়ী সরকার গঠিত আছে কিনা তা দ্বারা আমরা Level of Govt. পরিমাপ করব।
– সরকারের প্রধান ৩টি ব্রাঞ্চ থাকবে- নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ – নাগরিকের মৌলিক চাহিদা প্রতিষ্ঠা এবং সরকারের কাজের প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র থাকবে।
 Possible indicators
– সরকারের যে বিভাগগুলো থাকবে সেইগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। – সরকারের বিভিন্ন শাখার মধ্যে যোগাযোগ এবং কার্যকারিতা।
– মৌলিক চাহিদার পূরণ এবং এই চাহিদা পূরণের প্রক্রিয়া, যা সরকার পরিচালনা করে। – সংবিধান কিভাবে সংশোধন করা হবে সেই প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।  Civil Society Aspects:
– সিভিল সোসাইটির প্রেক্ষাপটে জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে অফিসারদের সংগঠন থাকবে। – রাজনৈতিক এবং আইনগত পরামর্শ প্রদানের জন্য দল থাকবে।
– এনজিও এবং সিভিল সার্ভিস সংস্থা থাকবে।
 Possible indicators
– সংবিধান সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্লাটফর্ম এর প্রক্রিয়া থাকবে যেখানে সরকারের বিভিন্ন শাখা এবং লেভেলের মাধ্যমে জনগণ অন্তর্ভূক্ত থাকে।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা শেষে আমরা বলতে পারি কোন একটি দেশে যদি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হয় তাহলে উপরিউক্ত উপাদানগুলো থাকতে হবে। শুধু এই উপাদানগুলো থাকলেই হবে না এগুলোর যথাযথ ব্যবহারও থাকতে হবে।
“If you can’t feed hundred people, then just feed one”
-Mother Teresa

12 Responses

  1. Appreciating the time and energy you put
    into your blog and detailed information you provide.
    It’s good to come across a blog every once in a while that isn’t
    the same outdated rehashed information. Fantastic
    read! I’ve saved your site and I’m including your RSS feeds to my Google
    account.

    Like

  2. I delight in, cause I found exactly what I used to be having a look for.
    You have ended my 4 day long hunt! God Bless you
    man. Have a great day. Bye

    Like

Leave a comment

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: